সারাদেশ

গজারিয়ায় কচুরিপানার কারনে বিস্তির্ন জমি, অনাবাদের আশংকা, প্রশাসন ও কৃষি অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা

২৫ নভেম্বর ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,  গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাউশিয়া ইউনিয়নের চরবাউশিয়া মৌজায় প্রায় এক হাজার বিঘা তিন ফসলি জমি অবৈধ ছোপের কচুরিপানা দখল করে নিয়েছে। মনাইর কান্দি, টেকপাড়া ও চরবাউশিয়া তিন গ্রামের প্রায় ২ হাজার কৃষকের হতাশায় কাটছে দিন। এক বিঘা জমির কচুরিপানা পরিষ্কার করতে কৃষকের খরচ গনতে হচ্ছে প্রায় ছয় হাজার (৬০০০)টাকা। চাষাবাদ ও বীজ বপন করে ফসল ঘরে আনতে কৃষকের খরচ হচ্ছে আরও ১৫ হাজার টাকা। কৃষকের অভিযোগ কচুরিপানা পরিষ্কার করে ফসল ঘরে আনতে যে টাকা খরচ হচ্ছে।

সে পরিমান ফসল ও অর্থ জমি থেকে আসবে না। কূষকরা বলেন পর্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে ছোপ ফেলার পর ছোপের অংশে কচরিপা রেখে চারপাসের কচুরিপানা পরিষ্কার করে দেয় ছোপের মালিকরা সেই কচুরিপানা নদী থেকে সরে জমিতে চলে আসে। মনাইরকান্দি গ্রামের কৃষক মো: ইব্রাহিম, আবুকালাম, কালা, টেকপাড়া গ্রামের রবিউল, বছির,হাতেম এবং চরবাউশিয়া গ্রামের কতিপয় কৃষক জানান অবৈধ ছোপের কচুরিপানায় আমাদের তিন ফসলি জমি অনাবাদী থাকছে। তাদের অভিযোগ অবৈধ ছোপের শিকারে বাউশিয়ায় প্রায় এক হাজার বিঘা ফসলি জমি অনাবাদ থাকছে।

কৃষকদের দাবী উপজেলা প্রশাসন অবৈধ ছোপ নিয়োন্ত্রনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করলে , কচুরিপানা মুক্ত হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম জানান কচুরিপানায় ফসলি জমি অনাবাদী হচ্ছে, অভিযোগ একাধিক ইউনিয়নে কৃষক হতে আসছে। অবৈধ ছোপ নিয়োন্ত্রনে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আছলাম হোসেন জানান প্রশিক্ষণ ক্লাস সাভারে অবস্থান করছি। অবসর সময়ে ফোন দিব বলে সংযোগ কেটে দেন। উপজেলা কৃষক কমিটির সভাপতি ভাইস চেয়ারম্যান আতাউর রহমান নাকি খোকন জানান কৃষকদের পক্ষ থেকে দরখাস্ত পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button