রাজধানী

রাজধানী ফিরেছে আগের রুপে

১৮ মে,২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

মোঃপারভেজ দেওয়ান,

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

করোনা এ যেনো এক ভয়ের নাম।ভয় হবেই না কেনো? করোনা এ পযন্ত কয়েক লক্ষাধিক মানুষের প্রান কেড়ে নিয়েছে।পুরো পৃথিবীকে করেছে স্থবির।অর্থনীতির চাকাকে থমকে দিয়েছে করোনা।এতো কিছুর পরেও করোনা কাবু করতে পারেনি রাজধানী ঢাকার মানুষকে। রাজধানী ফিরতে শুরু করেছে তার আগের রুপে।

বাংলাদেশে করোনা আক্রমনের শনাক্তের শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের সচেতনতা লক্ষ্য করা গেলেও এখন তা নেই বললেই চলে। এমন পরিস্থিতিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।

সরকার করোনার প্রথম পর্যায়ে হার্ড লাইনে থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমে আসে।প্রথম পর্যায়ে সব ধরনের অফিস, গার্মেন্টস, শপিংমল বন্ধ থাকলেও বর্তমানে তা সীমিত পরিসরে খুলে দেওয়া হয়েছে।

এখন পযন্ত জনপরিবহন বন্ধ থাকলেও ঢাকার রাজপথে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রাইভেট কার, মটর সাইকেল, পিকাপ এর তিব্র চাপ লক্ষ্য করা গেছে। কোথাও কোথাও জ্যাম জটের মতো পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

রাজধানীর বেশির ভাগ শিপিং মল খুলে দেওয়ার কারনে সেখানে উপচে পড়া ভির লক্ষ্য করা যাচ্ছে।অনেকেই মানছে না সামাজিক দূরত্ব।

রাজধানী ঢাকার প্রবেশ মুখ আব্দুল্লাহপুরে মালবাহী ট্রাকে করে ঢাকা ছাড়ার মতো ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।অন্যদিকে মাওয়া ফেরি ঘাটে মানুষের ব্যাপক চাপের সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা থেকে শরীয়তপুর গামী আব্দুল জয়নাল এর সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদ পালনের জন্য গ্রামে যাচ্ছেন তিনি।কিভাবে মাওয়া পযন্ত আসলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,রিস্কা,ভ্যান,মালবাহী গাড়িতে করে এবং পায়ে হেটে মাওয়া এসেছেন।তিনি আরো জানান যেকোনো মূল্যে তিনি গ্রামে যেতে চান।

অন্যদিকে রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন মালিকদের মধ্যে তিব্র মনমালিন্য লক্ষ্য করা গেছে।”আব্দুল্লাহপুর থেকে নবীনগর গামী একটি বাসের মালিক মনির। তার সাথে কথা বললে তিনি জানায়, বর্তমানে রোডে বাস ছাড়া সব ধরনের যানবাহ চলাচল করে।মানুষ বাসের পরিবর্তে অন্যান্য যানবাহন ব্যবহার করে ঈদ পালনের উদ্দেশ্য গ্রামে যাচ্ছে।তিনি আরো বলেন,অন্যান্য গাড়ি রোডে চলতে পারলে আমাদের টা কেনো চলবে না?

অন্যদিকে সচেতন মহল এর অনেকে বর্তমান রাজধানীর পরিস্থিতি নিয়ে তিব্র সমালোচনা করেন।তারা বলেন যখন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম ছিল তখন লকডাউন এর মাত্রা তীব্র হলেও এখন আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলেও লকডাউন এর কিছুই লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সংক্রামনের হার বাড়তেই থাকবে।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button