জাতীয়

আজ সাবেক স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী

মেঘনা উপজেলা প্রতিষ্ঠায় রয়েছে অকল্পনীয় অবদান

১০  জুলাই ২০২১, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

বরণ্য কূটনীতিবিদ, প্রয়াত স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীর ২০তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ। ২০০১ সালের ১০ই জুলাই তিনি সিলেট-১ আসনের এমপি থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তাকে এখনো সিলেট উন্নয়নের রূপকার হিসেবে সিলেটের মানুষ আখ্যায়িত করে থাকেন, পাশাপাশি কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা প্রতিষ্ঠাতায় রয়েছে অকল্পনীয় অবদান। এই কীর্তিমানকে চরাঞ্চলের মানুষ স্বরন করে শ্রদ্ধা ভরে।
১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে কূটনৈতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন সিলেটের বনেদি পরিবারের সন্তান হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী। ওই সময় তিনি নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রধান হিসেবে ভারতের সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেন। এছাড়া, বঙ্গবন্ধু পরিবারের একজন শুভাকাক্সক্ষী হিসেবে তিনি ১৯৭৫ সালে ভূমিকা রাখেন।
যুদ্ধের পর তিনি বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ে ৪০টিরও অধিক দেশের সাথে কূটনৈতিক তৎপরতা চালান। স্বাধীনতা পরবর্তীতে তিনি একাধারে রাষ্ট্রদূত, পররাষ্ট্রসচিব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এবং সবশেষে মহান জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।

সিলেটের কৃতীসন্তান বরেণ্য এ রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। বেলা ২টায় মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কবর জিয়ারত, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। পরে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হবে। বেলা সাড়ে ৩টায় হোটেল স্টার প্যাসিফিকের বলরুম থেকে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি ও সাবেক মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান সহ অনেকেই।
হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর জন্ম ১৯২৮ সালের ১১ নভেম্বর সিলেট শহরের দরগা গেইটস্থ রশিদ মঞ্জিলে। পিতা আব্দুর রশিদ চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত ভারতের কেন্দ্রীয় বিধান সভার সদস্য এবং মাতা সিরাজুন নেছা চৌধুরী ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য। মৃত্যুর পর সিলেটের বরেণ্য রাজনীতিবিদ, কূটনীতিককে সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button