সারাদেশ

মেঘনায় কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার – ১

৯ ফেব্রুয়ারি  ২০২১, বিন্দুবাংলা  টিভি . কম, মেঘনা প্রতিনিধি :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার  মানিকারচর গ্রামে ১৩ বছরের  এক কিশোরী গণ ধর্ষণের শিকার হয়। এ বিষয়ে ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে   মেঘনা থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা করে  এবং সম্রাট নামের এক  ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে কোর্টে প্রেরণ করে পুলিশ।   গত ০৬-০২-২০২১ ইং বিকাল চার  ঘটিকার সময়, ওই কিশোরী তার আট বছরের ভাগ্নিকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে শাক তুলতে যায়, পথে ওৎ  পেতে থাকা মানিকারচর গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে হৃদয় হোসেন  (২১) ,  হৃদয় হোসেন (২০) পিতা – অজ্ঞাত ও একই গ্রামের সামসু মিয়ার ছেলে সম্রাট (১৮) কিশোরীর পথ রোধ করে এবং  সম্রাট কিশোরীর ভাগ্নির মুখ চেপে ধরে দূরে নিয়ে যায়, অন্য দুই জন কিশোরীর  মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে, ধর্ষিতার আত্মচিৎকারে  মা ও বড় বোন এগিয়ে গেলে ধর্ষকরা  পালিয়ে যায়, কিশোরীর মা সাংবাদিকদের বলেন  সন্ধ্যার পর মেয়ের বাবা বাড়িতে আসলে ঘটনা জানানোর পর সে এলাকার মেম্বার সহ গণ্যমান্য লোকদের জানালে, তারা বাড়িতে বসে মীমাংসা করার কথা বলে, পরদিন দিপু মেম্বার ১০ হাজার টাকায় মীমাংসার কথা বললে, আমরা আত্মীয় স্বজনদের সাথে কথা বলে থানার দ্বারস্থ হই, তিনি আরো জানান আমরা গরীব অসহায়, আমার স্বামী অসুস্থ অভাবের সংসার চালানোর জন্য আমি ২০০ টাকা রোজে প্রতিদিন মাটি কাটার লেবার হিসেবে কাজে যাই, এর আগেও অনেকবার ওরা রাস্তাঘাটে আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতো, গরিব বলে মান সন্মানের ভয়ে কাউকে কিছু বলিনি, আমার মেয়ের এই সর্বনাশের উপযুক্ত বিচার চাই। দিপু মেম্বারের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন মেয়েটা ধর্ষণ হয়েছে  এটা সত্য ১০ হাজার টাকা নিয়ে মীমাংসা করার কথা সঠিক নয়, আমি এই মামলার তিন নাম্বার আসামি সম্রাট কে ধরিয়ে দিয়েছি।
মেঘনা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মজিদের  সাথে কথা বললে তিনি বলেন  মামলা হওয়ার সাথে সাথে আমরা আসামি সম্রাটকে গ্রেপ্তার করেছি সে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে তাকে কুমিল্লা কোর্টে প্রেরন করেছি ও বাকি আসামিদের ধরার চেষ্টা চলছে, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর মেডিকেল চেকআপের জন্য আলামত সহ  কুমিল্লা পাঠিয়েছি।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button