এক্সক্লুসিভ

হোসেন্দী ইউনিয়নের ডোবাচর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগে উন্নতির ছোঁয়া।

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০,বিন্দুবাংলা টিভি. কম,
গজারিয়া প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের ডোবাচর গ্রাম। মেঘনা নদী তীরবর্তী উপজেলার অবহেলিত একটি এলাকায় ডোবাচর গ্রাম। এ গ্রামে প্রায় ২হাজার মানুষের বসবাস।
অথচ এ গ্রামের আশ পাশের গ্রাম গুলোতে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হলেও স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৯ বছর অন্ধকারে ছিল ডোবাচর। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে ডোবাচর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়। এ সঞ্চালন লাইনের উদ্বোধন করেন গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী আক্তার হোসেন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হোসেন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজ সেবক মাহবুব আলম। তার সভাপতিত্বে পরিচালিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী আক্তার হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী আক্তার হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ অনেক মূল্যবান সম্পদ। ভালো কাজে এটা ব্যবহার করতে হবে। বিশেষ করে লেখা-পড়ায়। এসময় বিদ্যুৎ অপচয় না করার অনুরোধ জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডোবাচর জামে মসজিদে ইমাম মাও. মোহাম্মদ আ.হক, স্থানীয় সুমন মিয়া, আনোয়ার হোসেন, চাঁন মিয়া, তাজুল বেপারী, কালাই মিয়া সহ গ্রামের যুব সমাজ।
ডোবাচর গ্রামের জামে মসজিদে ইমাম মাও. মোহাম্মদ আ.হক বলেন, যে ডোবারচ বাসী কোনদিন বিদ্যুতের কথা চিন্তা করেনি আজ তাদের ঘরে বিদ্যুৎ এসেছে। এখন থেকে এলাকাবাসী বিদ্যুতের আলোয় কাজকর্ম ও শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, এ গ্রামে বিদ্যুতায়ন করতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন গজারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী আক্তার হোসেন ও হোসেন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সমাজ সেবক মাহবুব আলম।
ওই গ্রামের গৃহবধূ আলেয়া বেগম বলেন,
ডোবাচরের মানুষ দূর থেকে আলোর ঝিলিক দেখত। এখন নিজ ঘরে বিদ্যুৎ পেয়ে তারা অনেক খুশি। এ জনপদের বাসিন্দাদের কাছে ল্যাপটপ ও কম্পিউটার চালানো ছিল স্বপ্নের ব্যাপার। এখন তা বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বাধীনের ৪৯ বছর পর প্রথমবারের মতো বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে বিদ্যুতের আলো জ্বলতেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এখানকার মানুষজন।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button