মতামত

নিষ্ঠাবান, আপোষহীন শফিকুল আলমের নতুন দৃষ্টান্ত

২ জুন ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, এম এইচ বিপ্লব সিকদার : এ যাবত কালে যত উন্নয়ন ঘটেছে সবই রাজনীতির মাধ্যমে। বাকী যা গোস্টি আছে উন্নয়নের তাগিদে সহায়ক ভুমিকা পালন করেন। রাজনীতি ” “রাজারনীতি ” পরিস্থিতি আমাদের এমন এক জায়গায় এনে দাড় করিয়েছে যে রাজনীতিকে এখন কতিপয় ব্যক্তিরা ব্যবসার কাতারে ঠেলে দিতে চাচ্ছে। ফলে অশুভ শক্তির যাতাকলে মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার ইচ্ছায় যারা রাজনীতি করে তাদের পথ টা অনেকটাই অসমতল হয়ে পড়েছে। সময়ের বিবর্তনে এর মধ্যে,থেকেও মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করে যেতে হবে এই প্রকৃত রাজনীতির চেতনাকে লালন করে নিড়বে নিবৃতে নিরলসভাবে ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেই এখনো সুবিধাভোগীরা রাজনীতি করে যাচ্ছে। মুল কথায় আসি ” শফিকুল আলম ” মেঘনা উপজেলার প্রতিষ্ঠাতা, রুপকার, দ্বীপপুত্র , অনেকেই অনেক ভাবে উপস্থাপন করেন তিনি যথেষ্ট ভদ্র কেউ কেউ বলে থাকেন, কথাটা কিন্তু সঠিক, আমাদের সমাজে আবার অনেকে এটাকে দূর্বলতাও মনে করেন। আসলে তিনি ভদ্র, মার্জিত, নিষ্ঠাবান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন। অনেকে বলবেন আমি হয়তো তৈল মর্দন করতেছি কে কিভাবে নিবেন সেটা নিয়ে চিন্তিত নই কিন্তু সত্য উপস্থাপন করা মিডিয়ার কর্মী হিসেবে আমার নৈতিক দায়িত্ব তাছাড়া যিনি মেঘনার রুপকার, যিনি মেঘনা নামে অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে একটি মানচিত্র দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতায় উপহার দিয়েছেন তার উপকারীতা আমরা ভোগ করতেছি। আর আমি ব্যক্তিগত ভাবে মেঘনার সন্তান হিসেবে পরিচয় দিচ্ছি সেটাকি একজন উপজেলা প্রতিষ্ঠাতা কে অসম্মান করে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করে? কখনোই সম্ভাবনা। আমার মতের ভিন্নতা থাকতে পারে এটা আমার সাংবিধানিক অধিকার কিন্তু যা,সত্য তা উপস্থাপন করা মেঘনাবাসীর প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব, আর মিডিয়াকর্মীদের তো দায়িত্ব পালন না করা মানে চরম অকৃতজ্ঞতা। শফিকুল আলম কি কি তার উদ্যেশ্য সে কি চায় ইতিমধ্যে আপনারা সবাই অবগত তার পরেও আমি ক্ষুদ্র পরিসরে উপস্থাপন করছি যদিও আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে অত ভালো ভাবে উপস্থাপন করতে পারবোনা বা সেই জ্ঞান আমার নেই। তিনি এই নির্যাতিত জনগোষ্ঠীকে প্রশাসনিক স্বাধীনতা দিয়েই ক্ষান্ত নয়। তিনি মেঘনা উপজেলা প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিভাবে পরিচালনা করেছেন, কি কাজ করেছেন তা আপনাদের সকলের জানা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কাজ যা,এই উপজেলা কে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। রামপুর – হরিপুর – মুদারকান্দি – আড়ালিয়া ব্রিজ এর ২০১০ সালে মেঘনা উপজেলাবাসীর জন্য সরকারের নিকট আবেদন জানিয়েছিলেন। যা মেঘনা বাসীর উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশাল অগ্রগতি। শুধু আবেদন করলেই কাজ হয়ে যায়না বিগত নয় বছর অফিস পারায় ঘুরে নিজের চেয়ারম্যানীর মেয়াদ শেষ কিন্তু এই দৌড় শেষ করে দেননি। মানুষকে ভালো বাসেন বলে মেঘনা কে ভালো বাসেন বলে সকলের অজান্তেই কিছু বড় প্রকল্প নিয়ে নিবৃতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ইতিমধ্যে আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি সু সংবাদ পেয়েছেন যা ভাইরাল হয়েছে। ৫ ৭৫ মিটার গার্ডার ব্রিজ আগামী ১৩ জুন টেন্ডার হতে যাচ্ছে এটি একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন । যদি কোন নতুন জটলা না হয় আশা করা যায় এত বড় প্রকল্প টি টেন্ডার হবে। এই প্রকল্পের জনক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা স্থপতি “শফিকুল আলম “। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মেঘনাবাসীর এত বড় উন্নয়নের জনক কে জানাই অভিনন্দন, শুভেচছা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। লেখক — মেঘনার সন্তান, সম্পাদক, বিন্দুবাংলা টিভি।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button