সারাদেশ

মেঘনায় করোনা প্রতিরোধে পুলিশের ভুমিকা প্রশংসনীয়

২৮ মার্চ ২০২০, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, এম এইচ বিপ্লব সিকদার : চলতি মাসের ৮ তারিখ বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হলে এর প্রতিরোধে সারা বাংলাদেশে প্রশান, ডাক্তার, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, ছাত্র, সহ সকল পর্যায়ের সচেতন নাগরিকরা সচেতনতা মুলক লিফলেটে, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় ও চলছে মরণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি। মেঘনা – কাঠালিয়া নদী বেষ্টিত এই উপজেলায় প্রবাসী আছে অনেক। এই করোনা,ভাইরাস টি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মহামারি আকার ধারণ করেছে ইতিমধ্যে। তাই আক্রান্ত খুঁজতে সাধারণত প্রবাস ফেরতদের উপর গুরুত্বটা বেশি। তাই প্রবাস ফেরত শনাক্ত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, নির্বাহী প্রশাসনের পাশাপাশি এই উপজেলায় পুলিশ প্রশাসনের ভুমিকা আজকে পর্যন্ত খুবই প্রশংসনীয়। যা ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের নিকট আলোচ্য বিষয়। সবচেয়ে বড় কাজ যেটা পুরো উপজেলায় জনসাধারণকে ঘর থেকে বাহিরে বের না হওয়ার জন্য অফিসার ইনচার্জ আবদুল মজিদ তার পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন বাজারে বাজারে সচেতনতার সাথে ব্যপক প্রচারণা ও মাঠ ঘাট ঘুরে দেখছেন এবং প্রতিনিয়ত দেখভাল করছেন যা অব্যাহত রয়েছে। দায়িত্বশীলতা কর্মেই প্রকাশ পায় অতি কথনে নয়। থানা কম্পাউন্ডে পরিচ্ছন্ন অভিযান, হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা, গুজব রোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মনিটর সহ বিভিন্ন উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয় যা অব্যাহত রয়েছে। বাজারে অযথা ঘুরাঘুরি যেন না করে প্রবাস ফেরতরা সঠিক ভাবে হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন কিনা তাও যথেষ্ট দায়িত্বশীলতার সাথে দেখভাল করছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দিকেও রাখছেন বিশেষ নজর। এই ক্রান্তিলগ্নে মেঘনা থানা পুলিশ প্রশাসনের এই তৎপরতা অব্যাহত থাকলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে যথেষ্ট সহায়ক হবে বলে মনে করেন উপজেলার সচেতন সমাজ। এ দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার তথ্য মতে আজকে পর্যন্ত প্রবাস ফেরত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৬৫ জন। এখনো করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button