লাইফ স্টাইল

পূর্ব পুরুষদের ধারাবাহিকতায় জনগণের খেদমতে আসা  : তপন চেয়ারম্যান   । 

১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,     বিশেষ প্রতিনিধি :     পূর্বপুরুষদের ধারাবাহিকতায় জনগণের খেদমত করতেই রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি বললেন কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুদ্দিন মুন্সী তপন। সম্প্রতি বিন্দুবাংলা টিভি কে এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেন। মাঈনুদ্দিন মুন্সী তপন উপজেলার সোনার চর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মুন্সি বাড়ির       মৃত আনোয়ারুল ইসলাম ও মাতা মোসা: মেহেরুন নেছার ৪ মেয়ে ও ২ ছেলের মধ্যে ৫ ম সন্তান।      তিনি ১৯৯২ সালে এইচ এস সি পাশ করেই মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি বলেন পূর্ব পুরুষদের মধ্যে ১৯ ৫৪ সালে প্রয়াত রব সাহেব এম এল এ ছিলেন, প্রয়াত কেরানী সাহেব ও চেয়ারম্যান ছিলো, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রখ্যাত শিল্পী আপেল মাহমুদ আমার চাচা যাকে জাতীয় ভাবেই সবাই চিনে সর্বপুরী মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে আমার বাড়ির ঐতিহ্য। কালের বিবর্তনে খুব অল্প বয়সেই আমাকে রাজনীতিতে আসতে হয়েছে ৭৫ পরবর্তীতে সোনার চর উচ্চ বিদ্যালয়, ব্রাম্মন চর গ্রামের মাদ্রাসার ভবন ১২ বিঘা পুকুর সহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিজস্ব অর্থায়নে আমার বাড়ির লোকজন করেছে।         ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়মীলীগের মনোনয়ন পান সাত্তার সাহেব তখন থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতিতে স্বক্রিয় হই। আমি তৎকালীন সময়ের উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলাম, ২০০৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে খন্দকার মোখলেছুর রহমান সহ হেভিওয়েট প্রার্থীদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই এবং প্রান পন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিতে আমাদের পূর্ব পুরুষ দের ঐতিহ্য ধরে রাখতে ২০১১ সালে ২ য় বার ও ২০১৬ সালে দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচিত হয়ে হেট্রিক করি। আমি গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বাসীর নিকট কৃতজ্ঞ আমাকে বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য আসলে জনগনের পূর্ণ আশা  হয়তো পুরন করতে পারছিনা তবে এই টুকু বলতে পারি  দৃশ্যমান যত উন্নয়ন এ গুলো সব আমার আমলেই এবং চলছে আশা করি যে গুলো বাকী আছে আমার দলের সিনিয়র নেতা, জনপ্রতিনিধি ও আমার পরিষদের সদস্য দের সঙ্গে আলোচনা      করে শেষ করে ফেলবো ইনশাল্লাহ। তপন চেয়ারম্যান বলেন ২০১৭ -২০১৮ অর্থ বছরে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৬৭০ জন, বিধবা ভাতা ১৫০ জন, প্রতিবন্ধী ভাতা ১৫০ জন ভাতা পাচ্ছেন ভভবিষ্যতে তা আরও বাড়াবো ইনশাআল্লাহ। গুঞ্জন শুনতেছি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী হচ্ছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি আওয়ামিলীগ করি, দীর্ঘদিন যাবত এই ইউনিয়নের জনগন আমাকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ করে দিয়েছে যদি হাই কমান্ড মনে করে আমাকে দায়িত্ব দিবে উপযুক্ত মনে করে তা হলে ইনশাআল্লাহ আমি দায়িত্ব পালন করবো তবে কারো সাথে প্রতিযোগিতা করে নয়। ইউনিয়ন বাসীর সমপর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার ইউনিয়নের মানুষ খুবই সভ্য রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা মামলা নেই বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নিয়ে মিমাংসা করে দেওয়া হয়। আশাবাদী ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করবো তবে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি। আমার পরিষদের সকল সদস্যদের প্রতি আমু কৃতজ্ঞ সব সময় আমাকে সহযোগিতা করে এবং আমরা আলোচনা স্বাপেক্ষে সব কিছুই করার চেষ্টা করে থাকি। সরকারের টেকসই উন্নয়ন, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে লাগানো সামাজিক বনায়ন করা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি আমাদের আছে আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করি, আর মাদকের বিষয়ে আমার অবস্থান জিরো টলারেন্স। দীর্ঘ সময় প্রতিনিধিত্ব করতে কোন বাধা বিপত্তির শীকার হয়েছেন কি জানতে চাইলে চেয়ারম্যান বলেন আসলে,সব সময় ই প্রতিকূলতাঅতিক্রম করে আজ এখানে এসেছি, অসমতল পথে হাটার নামই এখন রাজনীতি কারন অনেক প্রতিঘাত পার হয়ে উপরে উঠতে হয় সব শেষ ভালো কিছু করতে হলে বাধা বিপত্তি থাকবেই এগুলো ফেস করেই যেতে হবে আমি ইউনিয়ন বাসীর নিকট কৃতজ্ঞ যে উনারা সব সময় আমার সাথে আছেন এবং ভবিষ্যতে থাকবেন ইনশাল্লাহ। পরিশেষে আমি গোবিন্দপুর ইউনিয়ন বাসী তথা মেঘনাবাসীর মঙ্গল কামনা করছি বিন্দুবাংলা টিভির মাধ্যমে এবং বিন্দুবাংলা টিভির সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button