সারাদেশ

দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরে ১ কি.মি. সড়কের বেহাল দশা

৯ সেপ্টেম্বর ২০১,, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,

এনামুল কবির(মুন্না)দোয়ারাবাজার প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলা সদরের ব্যস্ততম প্রধান সড়কের বেহাল দশা। থানার সম্মুখ থেকে উপজেলা পরিষদ হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার সড়কজুড়ে খানাখন্দে ভরপুর। অফিসপাড়াসহ সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই ওই এলাকায় অবস্থিত। প্রতিদিন প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে উপজেলার ৯ ইউনিয়নের ২ লক্ষাধিক জনগোষ্ঠির যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ওই সড়কটি। তাই ভগ্নদশা ওই ১ কিলোমিটার সড়কে রিক্সা, সিএনজি অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল দূরের কথা, পায়ে হেঁটেই পথ অতিক্রম করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদে শিক্ষার্থী, গর্ভবর্তী মহিলা, বয়োবৃদ্ধ ও জটিল রোগীদের বেলায় দূর্ভোগ পোহাতে হয় প্রতিনিয়ত।

উপজেলা সদরের মাঝেরগাঁও এলাকার নুর উদ্দিন ও বাজারের ব্যবসায়ী বিনয় দে সহ অনেকেই জানান, ‘প্রায় দশ বছর পূর্বে ওই সড়কে কাজ হয়েছিল। দ্বিতীয় দফা সংস্কার ও প্রশস্তকরণের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলাবাসী। বর্তমান ডিজিটাল যুগে দেশব্যাপি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকলেও আমাদের উপজেলাজুড়ে যোগাযোগক্ষেত্রে রাস্তাঘাটের তেমন একটা উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়নি। শুধু শুধু টেন্ডারেই সীমাবদ্ধ।’ উপজেলা নদীভাঙন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ স্থানীয় সংসদ সদস্যের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনুমোদিত সুরমা নদীর ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পসহ উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের বেলায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতায় উন্নয়ন ক্রমশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ ছাড়া ইতোমধ্যে উপজেলা সদরস্থ দোয়ারাবাজার-সুরমা লাফার্জ সড়কের অন্তত আধা কিলোমিটার এলাকা এবং যথেষ্ট বালুভর্তি জিওবি ব্যাগ মওজুদ থাকা স্বত্বেও সুষ্ঠ তদারকির অভাবে সঠিকভাবে ড্যাম্পিং না করায় বাসাবাড়ি ও দোকানপাটসহ অনেক স্থাপনা সুরমা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।’

এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী হরজিৎ সরকার বলেন, ‘বিশেষত জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে চরম দূর্ভোগে পড়তে হয় প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগনকে। তবে উপরোক্ত সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন থাকায় আমাদের করার কিছুই নেই।’
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বলেন,‘ খুব শিগগির দোয়ারাবাজারে গিয়ে সংস্কারের মাধ্যমে রাস্তাটি আপাতত চলাচলের উপযোগী করে দেয়া হবে। না হয় নতুন প্রাক্কলন তৈরি করে দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।’

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button