জাতীয়

গত দশ বছরে কুমিল্লা -১ এ ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়র হয়েছে : সংসদে জেনারেল ভূঁইয়া

২০ জন ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :

 

গত দশ বছরে মেঘনা ও দাউদকান্দি ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়র হয়েছে : সংসদে জেনারেল ভূঁইয়া

 

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিগত দশ বছরে দাউদকান্দি-মেঘনায় ৩ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন হয়েছে  বলে সংসদে জানিয়েছেন কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া। বুধবার (১৯ জুন ২০১৯) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট ২০১৯০-২০২০ এর ওপর রাখা বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন,

মাননীয় স্পিকার, আমার নির্বাচনী এলাকায় গত সাড়ে দশ বছরে ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, কবরস্থান, মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থাপনা সংস্কার ও নির্মাণে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।

মাননীয় স্পিকার, দাউদকান্দি উপজেলার বাণিজ্যিক রাজধানী বলা হয় গৌরীপুরকে। জনবহুল এই অঞ্চলটি আশপাশের কয়েকটি উপজেলার ব্যবসার প্রাণকেন্দ্র। এখানে ব্যবসাকেন্দ্রিক নানান শিল্প-প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, চিকিৎসাকেন্দ্র ও সামাজিক অবকাঠামো রয়েছে। উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিও এই ইউনিয়নে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশ ঘেঁষা এই স্থানটি আশপাশের কয়েকটি উপজেলার যোগাযোগের সংযোগ স্থলও। তাই যে কোন বিবেচনায় গৌরীপুরকে পৌরসভায় উন্নীত করা যায়। মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কুমিল্লার কৃতি সন্তান, তিনি অবশ্যই গৌরীপুর সম্পর্কে অবহিত।

মাননীয় স্পিকার, আমি একটি দাবি এই মহান সংসদে গত দশ বছর ধরে করে আসছি। দাউদকান্দিকে হেড কোয়ার্টার করে কুমিল্লা উত্তর সাংগঠনিক জেলাটিকে পূর্ণাঙ্গ জেলা ঘোষণা করা। আশির দশকে তৎকালীন সরকার দেশের সকল মহকুমাকে জেলা ঘোষণা করলেও কুমিল্লা উত্তর মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করেনি। সময়ের প্রয়োজনে এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

বাজেটে ঘাটতি মেটাতে কর আদায়ের খাত বৃদ্ধির ব্যাপারে পরামর্শ দিতে গিয়ে সুবিদ আলী ভূঁইয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন-

১. অনলাইনে কর আদায়কে আরও উৎসাহিত করতে হবে।

২. কর ব্যবস্থা সহজীকরণের জন্য প্রতিবছর উপজেলা পর্যায়ে কর মেলা আয়োজন করা যেতে পারে।

৩. দক্ষ জনবল নিয়োগ করে প্রত্যেক উপজেলায় কর অফিস স্থাপন করা।

৪. কর দিতে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন তা নিশ্চিত করা।

৫. জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ কর দাতাদের পুরস্কৃত করা।

সুবিদ আলী ভূঁইয়া আরও বলেন, মাননীয় স্পিকার, আমি মনে করি, বাজেট বরাদ্দই বড় কথা নয়, বাজেটের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। আগামী বিশ্ব ব্যবস্থায় খাদ্য হবে রাজনীতি-অর্থনীতির অন্যতম নিয়ামক শক্তি। তাই খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের কোন বিকল্প আমাদের কাছে নেই।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

Back to top button