অন্যান্য

বাংলাদেশের প্রলয়ংকরী কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ জানান,  বাতাসের গতিবেগের ওপর নির্ভর করবে কী পরিমাণ ক্ষয়-ক্ষতি হতে পারে। গত ১০ বছরের মধ্যে ফণী হতে পারে সবচে’ শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ভারতের ওপর দিয়ে আসার কারণে ঝড়টি দুর্বল হয়ে যেতে পারে যে জন্য বাংলাদেশে ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি কম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফণীর আগে আরও বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ঝড় বাংলাদেশে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে ১৯৭০ সালের গোর্কি ও ১৯৯১ সালের ম্যারিএন ঝড় অন্যতম। এই দু’টি ঝড়ে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল অনেক।

বাংলাদেশের সরকারি তথ্য অনুসারে, ১৯৬০-২০১৭ সাল পর্যন্ত মোট ৩৩টি বড় সাইক্লোনের ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়। আবহাওয়া অধিদপ্তর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে ২০০৭ সাল থেকে। এর আগে একটা সময় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের নামকরণ হতো না।

সাইক্লোন গোর্কি

১৯৭০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) দক্ষিণাঞ্চলে গোর্কি আঘাত হানে। এ পর্যন্ত হওয়া ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে গোর্কির ভয়াবহতা ছিল সবচেয়ে বেশি। ঝড়ের কারণে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। এদের বেশিরভাগই জলোচ্ছ্বাসে ডুবে মারা যান। সিম্পসন স্কেলে ঝড়ের মাত্রা ছিল ‘ক্যাটাগরি ৩’। ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২২২ কিলোমিটার এবং জলোচ্ছ্বাসের সর্বোচ্চ উচ্চতা ছিল প্রায় ৩০ ফুট। ঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তজুমদ্দিন উপজেলা। সেখানকার এক লাখ ৬৭ হাজার অধিবাসীর মধ্যে প্রায় ৭৭ হাজারই প্রাণ হারায়। ঝড়ে সম্পদ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১০ লাখের বেশি গবাদিপশু প্রাণ হারায়। চার লাখ ঘরবাড়ি ও সাড়ে তিন হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

১৯৮৮ সালের ঘূর্ণিঝড়

১৯৮৮ সালের ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশ আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়টি ইতিহাসের অন্যতম বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়। এই ঝড়ের ফলে দেশে যে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বন্যা হিসেবে পরিচিত। ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের ফলে বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে প্রায় পাঁচ হাজার ৭০৮ জন প্রাণ হারান। ঝড়ে উপকূল এলাকায় প্রচুর অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বাংলাদেশের প্রায় ৭০ ভাগ ফসল নষ্ট হয়ে যায়, এর পরিমাণ ছিল প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার টন। ঝড়ে ৬৫ হাজার গবাদিপশু মারা যায়। এছাড়া ১৫ হাজার হরিণ ও ৯টি রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মৃত্যু হয়। ৯৪১ কোটি টাকা সমমূল্যের ফসল নষ্ট হয়।

ম্যারিএন

নিহতের সংখ্যা বিচারে এ ঘূর্ণিঝড়টিও খুবই ভয়াবহ। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার বেগে এটি আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হয়। এর ফলে প্রায় এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। প্রায় ১ কোটি মানুষ সর্বস্ব হারায়। সিম্পসন স্কেলে ঝড়ের মাত্রা ছিল ‘ক্যাটাগরি-৫’। ঝড়ে সন্দ্বীপ, মহেশখালী, হাতিয়াসহ অন্য দ্বীপগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটে। নিহতদের বেশিরভাগই ছিল শিশু ও বৃদ্ধ। ১৯৭০-এর ঘূর্ণিঝড়ের পর অনেক সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হলেও সচেতনতা ও অজ্ঞতার কারণে অনেকেই সেখানে আশ্রয় না নেওয়ায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ঝড়ে প্রায় ১.৫ বিলিয়ন ডলারের (১৯৯১ মার্কিন ডলার) ক্ষতি হয়। বন্দরে নোঙর করা বিভিন্ন ছোটবড় জাহাজ, লঞ্চ ও অন্যান্য জলযান নিখোঁজ ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রায় ১০ লাখ ঘড়বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এতে ১ কোটি মানুষ বাস্তুহারা হয়ে পড়ে।

সিডর

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে ২৬০ কিলোমিটার বেগের বাতাসের সঙ্গে ১০ থেকে ১২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস নিয়ে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’। শ্রীলঙ্কান শব্দ সিডর বা ‘চোখ’-এর নামে ঝড়ের নামকরণ করা হয়। সিম্পসন স্কেল অনুযায়ী এ ঝড়ের মাত্রা ছিল ‘ক্যাটাগরি-৫’। সরকারি তথ্যমতে ঝড়ে দুই হাজার ২১৭ জন প্রাণ হারান। পানির চাপে পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদের পাড়ের বেড়িবাঁধ ভেঙে ভাসিয়ে নিয়ে যায় ৬৮ হাজার ৩৭৯টি ঘরবাড়ি। পানিতে তলিয়ে বিনষ্ট হয়ে যায় ৩৭ হাজার ৬৪ একর জমির ফসল।

আইলা

২০০৯ সালে ২৫ মে ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ ও ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে আঘাত হানে। মালদ্বীপের আবহাওয়াবিদরা এর নামকরণ করেন। এর অর্থ হলো ডলফিন বা শুশুকজাতীয় জলচর প্রাণী। ঝড়টির ব্যাস ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, যা ঘূর্ণিঝড় সিডরের থেকে ৫০ কিলোমিটার বেশি। সিডরের মতোই আইলা প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় নিয়ে উপকূল অতিক্রম করে। ঝড়ে ১৯৩ জনের মৃত্যু ও সাত হাজার মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। দুই লাখ গবাদিপশু মারা যায়।

উপকূলের ১১ জেলায় প্রায় ছয় লাখ ঘরবাড়ি ও আট হাজার ৮০০ কিলোমিটার রাস্তা বিধ্বস্ত হয়। খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার ৭১০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে প্রায় দেড় লাখ একর জমি লবণাক্ত পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে এ দু’টি জেলার প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার মানুষ স্থায়ীভাবে এবং প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ অস্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যে জানা যায়, ১৯৬০ সাল থেকে ২০০৭ সালে সিডরের পর্যন্ত বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়গুলোকে ‘সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’  বা প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০৭ সালে প্রথম স্পষ্ট নামকরণ করা হয়। ২২৩ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা এবং ১৫-২০ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসে নিয়ে আসা সেই ঘূর্ণিঝড় ছিল সিডর যাকে সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম উইথ কোর অব হারিকেন উইন্ডস (সিডর) নাম দেয়া হয়।

 ৭০’র প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বিবেচনা করা হয় ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণি ঝড়কে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন,  সবচেয়ে প্রলয়ঙ্করী ছিল ১৯৭০ এবং ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়। এরপরে তিনি সাইক্লোন সিডরের কথা উল্লেখ করেন।

১৯৭০ এর ঘূর্ণিঝড়

১৯৭০ সালের ১২ই নভেম্বর সবোর্চ্চ ২২৪ কিলোমিটার বেগে চট্টগ্রামে আঘাত হানা এই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ১০-৩৩ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল।ওেই ঘুর্ণি ঝড়ের যে ক্ষয়-ক্ষতির হিসেব পাওয়া যায় তাতে ‘৭০’র সালের প্রবলতম ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লাখ মানুষ নিহত হয়। সে সময় ১০-৩৩ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল এবং অসংখ্য গবাদি পশু এবং ঘরবাড়ি ডুবে যায়।

আবহাওয়া বিভাগের সাবেক পরিচালক শাহ আলম বলেন,  অনেকে মনে করেন মৃতের সংখ্যা আসলে ৫ লাখেরও বেশি ছিল। তিনি বলেন, “৭০ ‘র সাইক্লোন থেকেই মূলত মোটামুটিভাবে মনিটর করা শুরু হয়। সেই ঘূর্ণিঝড়টা সরাসরি বরিশালের মাঝখান দিয়ে উঠে আসে। ভোলাসহ অনেক এলাকা পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।”

১৯৮৫ সালের ঘূর্ণিঝড়

উরিরচরের ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত এই সাইক্লোনটি যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫৪ কিলোমিটার। শাহ আলম বলেন,  এটা অল্প জায়গায় হয়েছে ফলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি ছিলনা।

১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড়

নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে এই ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ১২-২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়টিতে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ২২৫ কিলোমিটার।

১৯৯১ সালের ২৯-৩০শে এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড়কে আখ্যা দেয়া হয় ‘শতাব্দীর প্রচণ্ডতম ঘূর্ণিঝড়’  হিসেবে। যাতে ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যায় বলে জানা যায়। যদিও বেসরকারি সংগঠনের দাবি অনেক মাছধরার ট্রলার সাগরে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন আরও অনেকে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয় এক কোটি মানুষ।

(বিজ্ঞাপন)

।আবহাওয়া বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, এই সাইক্লোনে অনেক পানি হয়েছিল। অনেক মানুষ মারাও গিয়েছে। যদিও পূর্বাভাস ভালো ছিল, ২৭ ঘণ্টা আগে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ছয়ঘন্টা ধরে স্থলভাগে আসে এবং তাণ্ডব চালায় এই সাইক্লোনটি।

তিনি বলেন, সাধারণত ২/৩ ঘণ্টার বেশি সাইক্লোন থাকেনা। কিন্তু এটি ছয়-ঘণ্টার বেশি সময় বাতাস বইতে থাকে। জানা যায়,  ২২৪ কিলোমিটার বেগে আসা এই ঘূর্ণিঝড়ে তেলের ট্যাংকার পর্যন্ত ওপরে উঠে গিয়েছিল। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ‘৭০ এবং ৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ে”। যে ক্ষতি ছিলো অপূরণীয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞের চোখে

বাংলাদেশে উপকূলীয় এলাকার পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছে দুর্যোগ ফোরাম।সংগঠনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গওহর নাইম ওয়ারা বলেন, মানুষ বাতাসকে ভয় পায়না, ভয় পায় পানিকে। আর জোয়ারের সময় ঘূর্ণিঝড় হলে তা বিশাল রূপ নেয়। ৭০ এবং ৯১ সময় সেটাই হয়েছিল।

তিনি মনে করেন,  ক্ষয়ক্ষতির চিত্রটি সবসময় পূর্ণাঙ্গভাবে উঠে আসেনা। কারণ তখন তথ্য সংরক্ষণের ততটা ব্যবস্থা ছিলনা। তাছাড়া কর্তৃপক্ষ ডেডবডি কাউন্ট করে, সরকার ডেডবডি না পেলে মৃত হিসেবে লিপিবদ্ধ করে না। সাগরে যারা হারিয়ে গেছে তাদের হিসাব তো করা হয় না।সিডরে ১০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল বলেছিল রেডক্রস। কিন্তু সরকার বলেছিল ৬ হাজার। সুতরাং ক্ষয়ক্ষতির হিসাব সবসময় ঠিকভাবে উঠে আসেনা।

তিনি বলেন, আইলাতে কম মানুষ মারা গিয়েছিল। দিনের বেলায় আইলা আঘাত হানায় অনেকে সরে যেতে পেরেছিল। কিন্তু আইলার ক্ষতি এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি। শুধু মানুষ না পশু-প্রাণীর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল।

আরও উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়

বাকেরগঞ্জের প্রবল ঘূর্ণিঝড়- ১৮৭৬ সালের ১লা নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড়টি অনেকের কাছে বাকেরগঞ্জের প্রবল ঘূর্ণিঝড় নামে পরিচিত। তাতে প্রাণ হারিয়েছিল ২ লাখ মানুষ, যখন ১০ থেকে ৪৫ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হয়।

১৯৬০ সালের ৩১শে অক্টোবরের প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ৫ লাখ ১৪৯ জন নিহত হয়। ৬.১ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস ছিল।

১৯৬০ সালের ৩১শে অক্টোবর চট্টগ্রামে ২০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়।

১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামে ১লা অক্টোবর ২০-২২ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের প্রবল ঘূর্ণিঝড়।

২০০৮ সালে ঘূর্ণিঝড় নার্গিসের পূর্বাভাস দেয়া হলেও পরে তা বার্মার উপকূলে আঘাত হানে।  এর প্রভাবে  মিয়ানমারে বহু ক্ষতি হয়।

২০১৩ সালের ১৬ই মে নোয়াখালী-চট্টগ্রাম উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের ঘূর্ণিঝড় ‘মাহাসেন’।

২০১৫ সালের ৩০শে জুলাই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে ৫-৭ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’। ২০১৬ সালের ২১শে মে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূলে ৪-৫ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’।

২০১৭ সালের ৩০শে মে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’।

তথ্য সূত্র: বিবিসি

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button