সারাদেশ

ছাগলনাইয়া পৌর মেয়র এম.মোস্তফার আর্থিক অনুদানে ব্যায়বহুল খরচের  হাতথেকে রক্ষা পেল মুমুর্ষ এক মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।

১০ মে ২০১৯, বিন্দুবাংলা টিভি. কম,
সৈয়দ কামাল,ফেনী থেকেঃমুক্তিযোদ্ধা বান্ধব সরকারের জনপ্রতিনিধি ফেনীর ছাগলনাইয়া পৌরসভার মেয়র এম.মোস্তফার আর্থিক অনুদান প্রদানে,ব্যায়বহুল খরছের হাতথেকে রক্ষা পেল মুমুর্ষ অবস্থায় বেঁচেথাকা এক মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।ছাগলনাইয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে দুই বারের নির্বাচিত ডেপুটি কমান্ডার সৈয়দ আবদুর রহিম চুট্টু মিয়া,দীর্ঘ বছর যাবৎ এজমা রোগে ভোগলেও আড়াই বছর পূর্বে তার ফুসফুসটি একেবারে ডেমেজ হয়েযায়।ফুসফুস ডেমেজ হয়ে যাওয়ার পরথেকে মুক্তিযোদ্ধা চুট্টু মিয়া আড়াই বছর যাবৎ ২৪ ঘন্টা অক্সিজেনের সাহায্যের কৃত্রিম শ্বসপ্রশ্বাস গ্রহণে,নিজ বাড়ী পৌরসভাধীন ৩ নং ওয়ার্ডস্থ হিছাছরা গ্রামে ঘরের একটি কক্ষে অনেকটা কৃত্রিম উপায়ে মুমুর্ষ অবস্থায় বেঁচে আছেন।তাকে বাঁচিয়ে রাখতে তার নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার তার ঔষধ পত্রের খরচ ব্যতিত প্রতিদিন দেড় হাজার টাকা করে তার জন্য অক্সিজেনের দিতে গিয়ে,বর্তমানে অনেক টাকা দেনাদার হয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি গত ৬ মে ছাগলনাইয়া পৌরসভার নাগরীক বান্ধব পৌর মেয়র এম.মোস্তফা তৃতীয় বারের মত মুমুর্ষ অবস্থায় থাকা মুক্তিযোদ্ধা চুট্টু মিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে তার বাড়ীতে যান।এই সময় মেয়র মোস্তফা তার শারীরিক অবস্থা দেখেন এবং তার জন্য প্রতিদিন অক্সিজেন যোগান দিতে গিয়ে তার পরিবার যে,আর্থিক দেনাদারের সম্মূখীন হয়ে পড়েছে সে বিষয়টি জানতে পেরে আন্তরিক ভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন।মুক্তিযোদ্ধা চুট্টু মিয়া সামনে যতদিন বেঁচে থাকে ততদিন যেন তাকে কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণে অক্সিজেনের জন্য কষ্ঠ করতে না হয় এবং ইতিমধ্যে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়া তার পরিবারটি ও যেন,সামনে আর ক্ষতিগ্রস্থ না হয় তার সমাধান কল্পে,মেয়র মোস্তফা বিদ্যুৎ চালিত অক্সিজেন উৎপাদনকারী ”অক্সিজেন কনসেন্টটেটর” নামে একটি মেশিনের সম্পূর্ণ ক্রয় মূল্য নগদ অর্থে প্রদান করেন।
মুক্তিযোদ্ধা চুট্টু মিয়াকে অক্সিজেনের সাহায্যে কৃত্রিম উপায়ে বাঁচিয়ে রাখতে অক্সিজেন যোগান দিতে গিয়ে এতদিন তার পরিবার আর্থিক ভাবে যে,ক্ষতির সম্মূখীন হয়েছিল,ছাগলনাইয়া পৌর মেয়র এম.মোস্তফার মানবিকতায় অক্সিজেন যোগানে ব্যায়বহুল খরচের হাতথেকে রক্ষাপেল মুক্তিযোদ্ধা চুট্টু মিয়ার পরিবার।

Related Articles

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button